কেউ কখনো ভাবতেও পারতেন না যে ব্যোমকেশের জনপ্রিয় জুটি অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও সোহিনী সরকার কেবলমাত্র অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রির বন্ধু। দীর্ঘদিন ধরে Anirban Sohini Relationship নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও তারা সবসময়ই এ ধরনের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি, নিজের নতুন সিনেমা রান্না-বাটি নিয়ে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সোহিনী সরকার ফাঁস করে দিলেন সত্যিটা।
সোহিনী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অনির্বাণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেবল কাজের বন্ধুত্বের বাইরে ছিল। তিনি বলেন, “অনির্বাণের মতো প্রতিভাবান মানুষের সঙ্গে এই ধরণের ঘটনা ঘটা উচিত নয়। আমাদের সম্পর্ক শুধু কাজের সূত্রে সীমাবদ্ধ ছিল না।” এই এক লাইনে, বহু গুজবকে সত্যের রূপ দেওয়া গেল।
Anirban Sohini Relationship: দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক থেকে গড়ে উঠা বন্ধুত্ব
অনির্বাণ ও সোহিনীর সম্পর্ক মঞ্চ থেকেই শুরু হয়। এরপর বড়পর্দা ও ওয়েব সিরিজের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তারা নিজেদের জুটি আরও জনপ্রিয় করে তুলেছেন। ব্যোমকেশ সিরিজে সত্যবতী ও ব্যোমকেশের চরিত্রে তারা দর্শকদের হৃদয় জয় করেছেন। অনির্বাণ যখন প্রথম ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করেন, তখনও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন সোহিনী। ‘অথৈ’ সিনেমায় আবারও একসঙ্গে কাজ করেন তারা।
তাদের শেষ সিনেমা ছিল রঘু ডাকাত’, যেখানে সরাসরি রোম্যান্টিক বা প্রণয় দৃশ্য না থাকলেও তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। সাক্ষাৎকারে তারা সবসময় একে অপরকে বন্ধু হিসেবেই উল্লেখ করেছেন
ব্যক্তিগত জীবনের খোঁজ
২০২০ সালে, অনির্বাণ মধুরিমা গোস্বামীকে বিবাহ করেন। অন্যদিকে সোহিনী দীর্ঘদিন রণজয় বিষ্ণুর সঙ্গে সম্পর্কের পর শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ২০২৪ সালে। বর্তমানে তারা সুখেই রয়েছেন। যদিও অনির্বাণের ব্যক্তিগত জীবনে কিছু বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গেছে, তবে তিনি সবসময় তা ব্যক্তিগতভাবে মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
সমাপ্তি
Anirban Sohini Relationship-এর এই গোপন তথ্য ফাঁস হওয়া তাদের ভক্তদের কাছে বড় চমক। এটা প্রমাণ করে, অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রির চেয়ে তাদের বন্ধুত্ব অনেক গভীর এবং আন্তরিক। এই সম্পর্কের গল্প শুধু বিনোদন জগতের নয়, বরং সত্যিকারের বন্ধুত্ব এবং পেশাদার সম্পর্কের সুন্দর উদাহরণ।
Disclaimer: এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র প্রকাশিত সাক্ষাৎকার ও বিশ্বস্ত সংবাদ সূত্রের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনের সমস্ত তথ্য জনসাধারণের সাক্ষাৎকার ও সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভরশীল।